মেনু নির্বাচন করুন

মধু মেলা ২০১৮ এবং ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা ২০১৮ এর ছবি

প্রথম অংশ মধু মেলা ২০১৮ এবং ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা ২০১৮ এর ছবি

যশোরের কেশবপুর মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান সাগরদাঁড়িতে ১৯৪তম জন্মবার্ষিকী ও মধুমেলা মেলা উদ্বোধন করা হয়।

শনিবার বিকালে সাগরদাঁড়ির মধুমঞ্চে স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি এ মেলার উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী ও আলোচনায় সভায় প্রধান অতিথি বলেন, বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতার রূপকার মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত তার সাহিত্যের মাধ্যমে সমাজসংস্কারের সূচনা করে গেছেন। বাঙালি জাতি তার জন্য গর্বিত।

জেলা প্রশাসক আশরাফ উদ্দিনের সভাপতিতে মধুমঞ্চে মহাকবির ওপরে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক এমপি, মো. মনিরুল ইসলাম এমপি, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া, যশোর পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান, বিপিএম,পিপিএম (বার),যশোর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল, কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মোস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত।

পরে রাতে মধুমঞ্চে নাটক, কবিতা আবৃতিসহ মনোজ্ঞপূর্ণ সাংস্কৃতিক নাটক, যাত্রা, নৃত্যসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে শিল্পীরা গান পরিবেশন করেন।

এদিকে মধু ভক্তদের আকর্ষণীয় করার জন্য মধুমেলায় বসেছে সার্কাস, জাদু প্রদর্শনী, মৃত্যুকূপ, নাগরদোলা, ইঞ্জিনচালিত ট্রেন ও বিভিন্ন ভ্যারাইটি স্টলসহ প্রায় সাড়ে ৫০০ ধরনের বিভিন্ন স্টল।

সপ্তাহব্যাপী মধুমেলা উপলক্ষে কবির জন্মভূমির স্মৃতিবিজড়িত কপোতাক্ষ নদ, জমিদার বাড়ির আম্রকানন, বুড়োকাঠ বাদাম গাছতলা, বিদায় ঘাটসহ মধুপল্লী হাতছানি দিয়ে ডাকছে মধু ভক্তদের। মধু ভক্ত লাখো মানুষের উপস্থিতিতে মুখরিত হবে সাগরদাঁড়ির চারপাশ। বর্ণিল সাজে সেজেছে সাগরদাঁড়ি। মেলার সদস্যসচিব কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানূর রহমান বলেন, এ মধুমেলা আগামী ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে।

 

যশোরে তিন দিনব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা সমাপ্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রোগ্রামের সহযোগিতায় এবং যশোর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কালেক্টরেট চত্বরে বুধবার আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে এ মেলা সমাপ্ত হয়।

সরকারি ভাবে ই- সেবার প্রচারণা, তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, ই-কমার্স ব্যবস্থাপনা এবং তরুণ উদ্ভাবকদের উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশ ঘটানোর উদ্দেশ্য নিয়ে সোমবার শহরের ঈদগাহে এ মেলার শুরু হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া। মেলা প্রাঙ্গণে এ সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আশরাফ উদ্দিন।  বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এসএএম রফিকুন্নবী ও যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কাজী হাবিবুর রহমান । স্বাগত বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি)  দেবপ্রসাদ পাল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শিক্ষক আহসান হাবীব পারভেজ।

মেলায় ৯টি ক্যাটাগরিতে ১৫টি পুরস্কার প্রদান করা হয়। আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ শেষে অতিথিবৃন্দ বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।

তিন দিনব্যাপী এ মেলা উপলক্ষে ‘আমার চোখে ডিজিটাল বাংলাদেশ’ শীর্ষক পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন প্রতিযোগিতা, মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর গল্প শোনার পর কুইজ প্রতিযোগিতায়, ডিজিটাল বাংলাদেশ শীর্ষক কুইজ প্রতিযোগিতা এবং রম্য সংসদীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

উল্লেখ্য মেলায় পাঁচটি প্যাভিলিয়নের আওতায় মোট ৬০টি স্টল অংশ নেয়। প্যাভিলিয়ন-১ এর আওতায় ছিল- ই-সেবাসমূহ; প্যাভিলিয়ন ২ এ ডিজিটাল সেন্টার, ব্যাংক, ফিনান্সিয়াল; প্যাভিলিয়ন-৩ এ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও জেলা ব্রান্ডিং; প্যাভিলিয়ন ৪ এ শিক্ষা এবং প্যাভিলিয়ন-৫ এ ছিল তরুণ উদ্ভাবকদের স্টলসমূহ।

 

 


Share with :

Facebook Twitter